ফার ফার্মিং: পশুর পশমের জন্য পালন, যন্ত্রণা ও বিকল্প
ফার ফার্মিং হলো পশম উৎপাদনের জন্য মিংক, শিয়াল, র্যাকুন ডগ এবং খরগোশের মতো প্রাণীদের নিবিড়ভাবে পালন ও হত্যা করার একটি শিল্প। এটি পশুদের জন্য চরম যন্ত্রণার কারণ এবং পরিবেশের উপরও ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে, যার ফলে বিশ্বজুড়ে অনেক দেশে এই শিল্প নিষিদ্ধ বা সীমিত হচ্ছে।
হালনাগাদ · ২১ আগস্ট, ২০২৬
দ্রুত উত্তর
ফার ফার্মিং হলো বিলাসবহুল পোশাক ও আনুষঙ্গিক সামগ্রী তৈরির জন্য পশুদের (বিশেষ করে মিংক, শিয়াল, চিনচিলা) নিবিড় খাঁচায় পালন এবং সাধারণত গ্যাস দিয়ে বা বৈদ্যুতিক শক দিয়ে হত্যা করা। এটি পশুদের জন্য চরম শারীরিক ও মানসিক যন্ত্রণার কারণ, সেইসঙ্গে পরিবেশ দূষণ ও রোগ বিস্তারের ঝুঁকি তৈরি করে, তাই এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ নৈতিক ও পরিবেশগত সমস্যা।
মূল বিষয়
- ফার ফার্মিংয়ে বিশ্বব্যাপী প্রতি বছর প্রায় ১০ কোটি প্রাণী (মিংক, শিয়াল, র্যাকুন, খরগোশ) নিবিড় খাঁচায় পালন ও হত্যা করা হয়।
- ফার শিল্পে পশুদের হত্যা করা হয় এমন পদ্ধতিতে যা প্রায়ই অজ্ঞান না করেই ঘটে, যেমন গ্যাস চেম্বার বা মলদ্বারে বৈদ্যুতিক শক দেওয়া।
- কৃত্রিম পশম এবং পুনর্ব্যবহৃত পশমের মতো বিকল্পগুলো এখন এত উন্নত যে বিলাসবহুল ব্র্যান্ডগুলোও সেগুলো ব্যবহার করছে, ফলে ফার ফার্মিংয়ের প্রয়োজনীয়তা কমছে।
- বিশ্বের ২০টিরও বেশি দেশ (যুক্তরাজ্য, অস্ট্রিয়া, ক্রোয়েশিয়া সহ) ফার ফার্মিং নিষিদ্ধ করেছে, এবং আরও অনেক দেশ এই পদক্ষেপ নিচ্ছে।
- ফার ফার্মিং শুধু পশুদের জন্য নিষ্ঠুর নয়, এটি পরিবেশের জন্যও ক্ষতিকর কারণ এতে প্রচুর পানি, জমি ও জীবাশ্ম জ্বালানি খরচ হয় এবং বর্জ্য ও রাসায়নিক দূষণ তৈরি হয়।