ডিম শিল্প: মুরগি, খাঁচা ও আমাদের প্রাতঃরাশের পেছনের সত্য
ডিম শিল্প সারা বিশ্বে কোটি কোটি মুরগিকে খাঁচায় বন্দি রেখে ডিম উৎপাদন করে, যেখানে তাদের স্বাভাবিক আচরণ ও মৌলিক চাহিদা লঙ্ঘিত হয়। এই শিল্প কেবল প্রাণী কল্যাণের জন্যই নয়, পরিবেশ ও মানবস্বাস্থ্যের জন্যও গুরুতর প্রশ্ন তোলে।
হালনাগাদ · ২৬ আগস্ট, ২০২৬
দ্রুত উত্তর
ডিম শিল্প বলতে বোঝায় ব্যাপক আকারে ডিম উৎপাদনের জন্য মুরগি পালনের ব্যবস্থা, যা অধিকাংশ ক্ষেত্রে খাঁচাজনিত নিবিড় প্রক্রিয়ায় পরিচালিত হয়। এই শিল্পে স্ত্রী মুরগিদের সারা জীবন সংকীর্ণ খাঁচায় কাটাতে হয় এবং পুরুষ বাচ্চাদের জন্মের পরই মেরে ফেলা হয়, যা প্রাণী কল্যাণের দৃষ্টিকোণ থেকে গভীর উদ্বেগের বিষয়।
মূল বিষয়
- বাণিজ্যিক ডিম শিল্পে ব্যবহৃত প্রায় ৯০% মুরগি সারা জীবন খাঁচায় বন্দি থাকে।
- প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী প্রায় ৭ বিলিয়ন পুরুষ বাচ্চা মুরগিকে ডিম শিল্পে জন্মের পরই মেরে ফেলা হয়।
- খাঁচায় বন্দি মুরগির প্রতিটির জন্য আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী মাত্র A4 কাগজের সমান জায়গা বরাদ্দ থাকে।
- ডিম উৎপাদনের কারণে মুরগির শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দেখা দেয়, ফলে অস্টিওপোরোসিস ও হাড় ভাঙার ঝুঁকি বেড়ে যায়।
- ভারত, চীন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ডিম উৎপাদনের শীর্ষ তিন দেশ, যা বৈশ্বিক উৎপাদনের অর্ধেকেরও বেশি।